ক্বরী মাওঃ রমজান আলী

আবিষ্কারক ও সভাপতি
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষা সংস্থা

কথার চেয়ে মিষ্টি জিনিষ,
এই দুনিয়ায় কিছুই নাই,
কথার মত এতো বিষাক্ত
গোটা দুনিয়ায় কিছুই নাই।
ক্বরী মাওঃ রমজান আলী
বিশুদ্ধ করে কুরআন তিলাওয়াত
এখন তো আর কঠিন নয়,
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কুরআন শিখলে
কয়েক দিনেই তা সম্ভব হয়।
ক্বরী মাওঃ রমজান আলী

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ক্বুরআন শিক্ষার আবিষ্কার

৪৪ বছর পূর্বে নওশাদ নামের এক ছাত্রকে “কায়দায়ে বাগদাদী” পড়াতে গিয়ে যে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষা আবিষ্কার শুরু হয়, প্রতিনিয়ত গবেষণায় সেই কুরআন শিক্ষা বর্তমানে আরাে সহজ ও উন্নত করা সম্ভব হয়েছে।

১৯৭৩ সনের কথা, যখন এদেশে অধিকাংশ মানুষ আরবী অক্ষরের শুদ্ধ নাম জানতাে না। পাকিস্তানী উর্দু ভাষার চাপে পড়ে আরবী অক্ষরের নাম উর্দু অক্ষরের নামানুসারে বাংলাদেশর ঘরে ঘরে বে,তে,ছে পড়া হতাে। | তাজবীদ অনুযায়ী বিশুদ্ধ উচ্চারণ, সেতো ছিল “সােনার হরিণ”। হাতে গােনা দেশ বরেণ্য উলামায়ে দ্বীন ব্যতীত সাধারণ মানুষের মধ্যে কারাে শুদ্ধ উচ্চারণ ছিল না বললেই চলে। বে যের বে, তে যের তে-এ ভাবে যেরের উচ্চারণ হ্রস্ব-ইকারের’ পরিবর্তে এ-কার  পড়া হতাে সর্বত্র। আরবী প্রতিটি অক্ষরের উচ্চারণ ভিন্ন ভিন্ন, কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন অক্ষরের উচ্চারণ ভিন্ন ভিন্ন না করে, জীম, যাল, জা ও জ এর মত বিপদ জনক অক্ষরের উচ্চারণ করা হতাে একই রকম। এমনি ভাবে অশুদ্ধ উচ্চারণে ভরা ছিল দেশের কুরআন শিক্ষা ব্যবস্থা।

ঠিক তখনই অল্প সময়ে, সহজে ও আনন্দদায়ক পরিবেশে, সর্বস্তরের মুসলমানদের বিশুদ্ধভাবে পবিত্র কুরআন শিক্ষার জন্য আবিষ্কার হয় “বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষা”।

তাজবীদ জেনে, বুঝে, আদায় করে কুরআন শিক্ষার নামই হচ্ছে- “বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষা”।

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষা আবিষ্কারের ফলে মানুষ বুঝতে পারলাে “পবিত্র কুরআন শিক্ষার চেয়ে সহজ শিক্ষা দুনিয়াতে আর নেই”, তাও আবার গ্রামার (তাজবীদ) সহ। শুধু মাত্র আলিম ও হাফিজগণের পক্ষে কুরআন জানা সম্ভব, অন্য কারও পক্ষে কুরআন জানা সম্ভব নয়, এ ধারণা বদলে গিয়ে ধারণা জন্মিল যে, যে কোন বয়সের, যে কোন মানুষ ছহি শুদ্ধ তিলাওয়াত শিখতে পারে। প্রতিটি মানুষের জন্য কুরআন শিক্ষা করা বাধ্যতামূলক, কারণ কুরআন মান্য করা ব্যতিত জান্নাতে যাওয়ার বিকল্প কোন পথ মানুষের নাই।

জনপ্রিয়তা
0 K+
সম্বর্ধনা
0 +
দেশ পরিচিতি
0
শিক্ষক
0 +
বই
0 +
ছাত্র
0 +
১৯৭৩

প্রথম বই

আমার প্রথম বই বের হয়ছিল ১৯৭৩সন এর প্রথম দিকে

১৯৭৩

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ক্বুরআন শিক্ষা উদ্বোধন

১৯৭৩ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার ফেসুয়ামারা গ্রামে আমার এই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়।

১৯৯৪

আমার প্রথম এওয়ার্ড

১৯৯৪ সালে আমাকে প্রেস ক্লাবে, উপকারী মানুষ হিসেবে অনুষ্ঠানের মাদ্ধমে পুরস্কৃত করা হয়।

২০০০

প্রতিস্থানের স্থাপনা

২০০০ সালে ঢাকা, মিরপুর-১ স্থানে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে এই সংস্থার প্রথম স্থাপনা করা হয়।

২০০৭

প্রতিষ্ঠানের স্থানান্তর

২০০৭ সনে আমাদের প্রশিক্ষদের পরিমান বৃদ্ধির কারনে মিরপুরের যায়গা পর্যাপ্ত না হওয়ায় আশুলিয়ার জামগরায় বড় যায়গা নিয়ে প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর করা হয়।

২০১২

৫০০০ শিক্ষকের প্রতিষ্ঠান

২০১২ এর দিকে আমাদের প্রশিক্ষকের পরিমান প্রায় ৫০০০ সমতুল্য হয়ে উঠে। 

২০২০

১০০০০+ শিক্ষকের প্রতিষ্ঠান

২০২০ এর দিকে আমাদের প্রশিক্ষকের পরিমান হয়ে দাঁড়ায় প্রায় ১০০০০ এর বেশি হয়ে উঠে। 

উপকারী মানুষ-৯৪

১৯৯৪ সালে  প্রেস ক্লাবে, উপকারী মানুষ হিসেবে অনুষ্ঠানের মাদ্ধমে পুরস্কৃত করা হয়।

গুণীজন পদক-১২

সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার মাদ্ধমে গুণীজন পদক দ্বারা সম্মাননা প্রদান করা হয়।

"শাইখুল ক্বুরআন" উপাধী-১৫

আল-মাদানী ফউন্ডেশনের মাদ্ধমে "শাইখুল ক্বুরআন" উপাধীতে ভূষিত করা হয়

সম্মাননা স্মারক-২১

আশুলিয়া নূর হাফিজিয়া মাদ্রাসা, নূরে মদিনা মাদ্রাসার মাধ্যমে সবক অনুস্থানের প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে সম্মাননা প্রদান।